হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায়
হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায় সম্পর্কে অনেকেই গুগলে সার্চ দিয়ে
থাকেন। বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সবচেয়ে জনপ্রিয়
প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক। তাই ফেসবুক যেন জীবনেরই একটি প্রতিচ্ছবি ।
তাই আজকে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে জানাবো হারানোর ফেসবুক আইডি ফিরে
পাওয়ার উপায় সম্পর্কে। চলুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে আপনি আপনার হারানো
ফেসবুক আইডি ফিরে পাবেন সেই সম্পর্কে জেনে আসি।
পেজ সূচিপত্র:হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায়
- হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায়
- সঠিক ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার দিয়ে আইডি খোঁজা
- ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করে আইডি রিকভারি করা
- ফেসবুক আইডি হারানোর সাধারন কারণ সমূহ
- জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে ফেসবুক ভেরিফিকেশন করা
- হ্যাক হওয়া আইডি রিকভারি করার সঠিক নিয়ম
- বিশ্বস্ত বন্ধুর সাহায্যের আইডি ফেরত পাওয়া
- পুরাতন ডিভাইস বা লোকেশন ব্যবহার করে লগইনের চেষ্টা
- ফেসবুকে নতুন সিকিউরিটি ফিচার তৈরি করা
- শেষ কথা:হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায়
হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায়
বর্তমান সময়ে ফেসবুক শুধু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং অনেকের পরিচয়ের অংশ,
ব্যবসার প্ল্যাটফর্ম এবং স্মৃতির ভান্ডার। কিন্তু অনেক সময় অসাবধানতা, পাসওয়ার্ড
ভুলে যাওয়া, অথবা মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার কারণে ফেসবুক আইডি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে
পড়েন অনেকে। তখন মনে হয়, সবকিছু হারিয়ে গেছে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু
নেই আমাদের হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায় এই পোস্টটি পড়লেই বা
কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই পুরোনো আইডি ফিরে পাওয়া সম্ভব।
ফেসবুক রিকভারি করার জন্য মোবাইল বা ডেস্কটপের Chrome ব্রাউজারে যান এবং সার্চ
বারে লিখুন m.facebook.com। এরপর ব্রাউজারের উপরের ডান পাশে থাকা তিনটি ডট (⋮)
আইকনে ক্লিক করে "Desktop Site" অপশন চালু করুন।ডেস্কটপ ভার্সন চালু করলে আপনি
আরও বিস্তারিত অপশন পাবেন যা আইডি রিকভারিতে সহায়ক।
সঠিক ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার দিয়ে আইডি খোঁজা
সঠিক ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার দিয়ে আইডি খোঁজা একটি সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
অনলাইন অ্যাকাউন্ট খোলার সময় সাধারণত ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে আইডি
তৈরি করা হয়।এই তথ্যগুলো প্ল্যাটফর্মের ডাটাবেজে নিরাপদভাবে সংরক্ষিত থাকে।যখন
কেউ তার ইউজারনেম বা পাসওয়ার্ড ভুলে যায়, তখন এই ইমেইল বা নাম্বার দিয়ে আইডি
খুঁজে পাওয়া যায়।সিস্টেম প্রথমে ব্যবহারকারীর তথ্য যাচাই করে।এরপর একটি
ভেরিফিকেশন কোড বা রিসেট লিংক পাঠানো হয়।সঠিক কোড দিলে অ্যাকাউন্টে পুনরায়
প্রবেশ করা সম্ভব হয়।এতে অন্য কেউ ভুয়া ভাবে আইডি দখল করতে পারে নাতাই সব সময়
নিজের ব্যবহৃত ইমেইল ও মোবাইল নাম্বার আপডেট রাখা জরুরি।সঠিক তথ্য ব্যবহারে আইডি
নিরাপদ ও সহজে ব্যবস্থাপনা করা যায়।
ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করে আইডি রিকভারি করা
আমাদের আজকের ট্রাফিক ছিল হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায় । আসলে ফেসবুকের
আইডি ফিরে পাওয়ার জন্য প্রথমত আপনি ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করে আইডি
রিকভারি করতে পারেন। ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করে আইডি রিকভারি করা খুবই
সহজ ও কার্যকর একটি পদ্ধতি। প্রথমে সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া বা ওয়েবসাইটের
লগইন পেজে যেতে হয়। সেখানে “Forgot Password” বা “পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?” অপশনে
ক্লিক করতে হয়। এরপর আইডির সঙ্গে যুক্ত ইমেইল ঠিকানা বা মোবাইল নাম্বার প্রদান
করতে হয়। সঠিক তথ্য দিলে একটি ভেরিফিকেশন কোড ইমেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো
হয়। সেই কোডটি নির্দিষ্ট ঘরে বসাতে হয়। ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে নতুন পাসওয়ার্ড
সেট করার সুযোগ আসে। নতুন পাসওয়ার্ডটি আগের চেয়ে শক্তিশালী হওয়া ভালো।
পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের পর পুনরায় লগইন করা যায়। এভাবে ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশন
ব্যবহার করে সহজেই আইডি রিকভারি করা সম্ভব।
আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে কাজ করে মোবাইলে আয় করার উপায়
ফেসবুক আইডি হারানোর সাধারণ কারণ সমূহ
আমরা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে অনেক জিনিসই সাধারণত ভুলে যায় আর
যার কারণেই অনেক কিছুই মনে রাখতে পারি না । তাইফেসবুক আইডি হারানোর পেছনে বেশ
কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে যা ব্যবহারকারীরা অনেক সময় বুঝতে পারেন না। সবচেয়ে বড়
কারণ হলো পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া বা বারবার ভুল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। অনেক
ক্ষেত্রে ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করে তা আপডেট না রাখলেও আইডি হারানোর
ঝুঁকি বাড়ে। ফিশিং লিংকে ক্লিক করলে আইডি হ্যাক হয়ে যেতে পারে। অপরিচিত অ্যাপ
বা ওয়েবসাইটে ফেসবুক দিয়ে লগইন করাও একটি বড় কারণ। ফেসবুকের নীতিমালা ভঙ্গ
করলে আইডি সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সন্দেহজনক কার্যকলাপ ধরা
পড়লে ফেসবুক নিরাপত্তার কারণে আইডি লক করে দেয়। দীর্ঘদিন আইডি ব্যবহার না করলে
ভেরিফিকেশন সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডিভাইস বা লোকেশন হঠাৎ পরিবর্তন হলেও আইডি লক
হতে পারে। এসব কারণেই সাধারণত ফেসবুক আইডি হারানোর সমস্যা দেখা দেয়।
জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে ফেসবুক ভেরিফিকেশন করা
বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে জাতীয় পরিচয় পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ,
যেটা ব্যবহার করে আমরা অনেক কিছু সমস্যার সমাধান করতে পারি । জাতীয় পরিচয় পত্র
দিয়ে ফেসবুক ভেরিফিকেশন করা একটি অফিসিয়াল ও নিরাপদ প্রক্রিয়া। সাধারণত আইডি
লক বা ডিজেবল হলে ফেসবুক এই ভেরিফিকেশন চেয়ে থাকে। প্রথমে ফেসবুকের ভেরিফিকেশন
ফর্মে প্রবেশ করতে হয়। সেখানে নিজের নাম, জন্মতারিখ ও ইমেইল ঠিকানা সঠিকভাবে
দিতে হয়। এরপর জাতীয় পরিচয় পত্রের স্পষ্ট ছবি আপলোড করতে হয়। ছবিতে নাম ও
জন্মতারিখ পরিষ্কারভাবে দেখা যেতে হবে। দেওয়া তথ্য ফেসবুকের তথ্যের সঙ্গে মিললে
ভেরিফিকেশন সহজ হয়। ফেসবুক তথ্য যাচাই করতে কিছু সময় নেয়। যাচাই সফল হলে আইডি
পুনরায় চালু করা হয়। এভাবে জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি
ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা যায়।
হ্যাক হওয়া আইডি রিকভারি করার সঠিক নিয়ম
আমরা প্রত্যেকেই জানি আমাদের প্রতিটি আইডিতে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
থাকে আর এই আইডি যদি হ্যাক হয় তাহলে এই তথ্যগুলো অন্য কেউ হাতিয়ে নিতে পারে।
হ্যাক হওয়া আইডি রিকভারি করার জন্য সঠিক নিয়ম মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমে দ্রুত ফেসবুকের “Secure Your Account” বা “Hacked Account” অপশনে যেতে
হয়। সেখানে “Someone else accessed my account” নির্বাচন করতে হয়। এরপর আইডির
সঙ্গে যুক্ত ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার দিয়ে সার্চ করতে হয়। ফেসবুক তখন
সাম্প্রতিক পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে বলে। নতুন একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট
করা জরুরি। সন্দেহজনক লগইন ও অ্যাপগুলো রিমুভ করতে হয়। প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়
পত্র দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হয়। ইমেইল ও মোবাইল নাম্বার আপডেট করে
নিরাপদ রাখতে হয়। সব ধাপ ঠিকভাবে অনুসরণ করলে হ্যাক হওয়া আইডি সফলভাবে রিকভারি
করা যায়।
বিশ্বস্ত বন্ধুর সাহায্যে আইডি ফেরত পাওয়া
সময় যেমন নদীর স্রোতের মতো বয়ে যায়, ঠিক তেমনি জীবনের যে সময় গুলো আছে এই
সময়গুলো জীবন থেকে যাওয়ার সময় কিছু মানুষের সংস্পর্শে আমরা চলে আসি। এই
সংস্পর্শে আসাটাকেই বলে বন্ধুত্ব আসলে বন্ধু হতে হলে বিশ্বস্ত বন্ধু হওয়াটাই
সবচেয়ে জরুরী। বিশ্বস্ত বন্ধুর সাহায্যে আইডি ফেরত পাওয়া ফেসবুকের একটি কার্যকর
নিরাপত্তা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে আগে থেকেই আইডিতে বিশ্বস্ত বন্ধু সেট
করা থাকতে হয়। আইডিতে প্রবেশ করতে না পারলে “Forgot Password” অপশনে যেতে হয়।
সেখানে “No longer have access to these?” নির্বাচন করতে হয়। এরপর “Reveal my
trusted contacts” অপশনটি দেখা যায়। নির্বাচিত বন্ধুদের কাছে একটি বিশেষ কোড
পাঠানো হয়। প্রত্যেক বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া কোড সংগ্রহ করতে হয়। সব কোড
সঠিকভাবে দিলে ফেসবুক ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে। তারপর নতুন পাসওয়ার্ড সেট করার
সুযোগ দেয়। এভাবে বিশ্বস্ত বন্ধুর সহায়তায় সহজেই আইডি ফেরত পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ ফেসবুকে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায়
পুরাতন ডিভাইস বা লোকেশন ব্যবহার করে লগইনের চেষ্টা
আমরা অনেকেই হয়তো গ্রাম্য একটি প্রবাদের সঙ্গে পরিচিত যেটা হচ্ছে পুরাতন চাল
ভাতে বাড়ে, তাই পুরাতন কোন কিছুকেই অবহেলা না করে যত্ন সহকারে রেখে দিন।
পুরাতন ডিভাইস বা লোকেশন ব্যবহার করে লগইনের চেষ্টা করা আইডি রিকভারি করার একটি
কার্যকর কৌশল। ফেসবুক সাধারণত পরিচিত ডিভাইস ও লোকেশন দ্রুত শনাক্ত করতে পারে।
আগে যেই মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে আইডি ব্যবহার করা হতো সেটি ব্যবহার করা ভালো।
একইভাবে আগের ব্যবহৃত ইন্টারনেট সংযোগ বা লোকেশন থেকে লগইন চেষ্টা করা নিরাপদ।
এতে ফেসবুক সন্দেহ কম করে। লগইনের সময় সঠিক ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার দিতে হয়।
পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করা যায। পরিচিত ডিভাইস থেকে
লগইন করলে ভেরিফিকেশন সহজ হয়। অনেক সময় অতিরিক্ত সিকিউরিটি চেক আসে না। এভাবে
পুরাতন ডিভাইস বা লোকেশন ব্যবহার করে আইডি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
ফেসবুকে নতুন সিকিউরিটি ফিচার তৈরি করা
আমরা হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে গিয়ে, অনেক কিছুই
আমাদের সামনে চলে এসেছে তার মধ্যে ফেসবুকে নতুন সিকিউরিটি ফিচার তৈরি
করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অত্যাধুনিক নিরাপত্তা। প্রথমে ব্যবহারকারীদের প্রতারণা ও
হ্যাকিং থেকে রক্ষা করার জন্য মৌলিক নিরাপত্তা নীতিগুলোকে শক্তিশালী করা উচিত।
নতুন ফিচারগুলোতে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) যেমন SMS, ইমেইল বা
Authentication App অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সন্দেহজনক লগইন শনাক্তের জন্য উন্নত
অ্যালগরিদম ব্যবহার করা উচিত। আইডি তল্লাশি ও অস্থায়ী লক করার পর সহজ
পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি থাকা দরকার। ব্যবহারকারীদের নোটিফিকেশন দিয়ে দ্রুত
বিজ্ঞপ্তি দেয়া উচিত। প্রকাশ্য ওয়াই-ফাই এ লগইন করলে সতর্কবার্তা দেখানো উচিত।
ডিভাইস ও লোকেশন ট্র্যাকিং দিয়ে অস্বাভাবিক কার্যকলাপ চিহ্নিত করা যায়।
নিরাপত্তা শিক্ষা ও টিপস ফিচার হিসেবে যোগ করা উচিত। এইভাবে নতুন সিকিউরিটি ফিচার
এতে আইডি নিরাপত্তা আরও উন্নত করা সম্ভব।
শেষ কথা ঃ হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায়
হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার উপায় সম্পর্কে আজকে আমি আপনাদের সামনে যে তথ্য
উপাত্ত উপস্থাপন করেছি তাতে এতক্ষণে হয়তো আপনারা জেনে গেছেন কিভাবে আপনাদের
হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাবেন। ফেসবুক আইডি হারিয়ে যাওয়া এখন আর চরম বিপদ নয়।
আপনি যদি ধৈর্য ধরে এবং সঠিকভাবে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেন, তাহলে খুব সহজেই আবার
নিজের আইডিতে ফিরে যেতে পারবেন। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার তথ্যের সঙ্গে ফেসবুকের
তথ্য মিল থাকতে হবে, এবং ভুল কোনো কনফার্মেশন দিলে সমস্যা বাড়বে।
তাই, সচেতন থাকুন, নিয়মিত আইডির নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং প্রয়োজনে এই
নির্দেশনা অনুযায়ী ফেসবুক আইডি রিকভারি করুন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আজ চলে
যাচ্ছি কিন্তু একেবারেই যাচ্ছি না আবার দেখা হবে অন্য কোন ট্রফিক্স এ অন্য
কোন আলোচনায়।

অ্যনি টিপস এটোজ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url