কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
ফ্রি টাকা ইনকাম করুন অনলাইনে
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় সেটা কি আপনি জানতে ইচ্ছুক, তাহলে আজকের এই
আর্টিকেল আপনার জন্য । ঘরে বসেই আপনি ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন আর সেই জন্য
লাগবে আপনার ধৈর্য ও প্রচুর ইচ্ছা শক্তি। তাই আমরা যারা ঘরে বসে আছি তাদের
জন্য ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় সেই আর্টিকেল আজকের জন্য প্রযোজ।
পেজ সূচিপত্রঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায
ফ্রি টাকা ইনকাম করার নিয়ম
ফ্রি টাকা ইনকাম করতে কি প্রয়োজন হয়
ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায়
কন্টেন্ট রাইটিং করে ফ্রি ইনকাম
ফেসবুক থেকে ফ্রি ইনকাম কিভাবে হয়
এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ফ্রি ইনকাম করার নিয়ম
ব্লগিং করে ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায়
ইউটিউব থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম করুন
গ্রাফিক ডিজাইন করে ফ্রি টাকা ইনকাম
ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম করুন
অনলাইন টিউশন করে ফ্রি টাকা ইনকাম
শেষ কথা কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
আজকের এই পোস্টটিতে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা করব। ফ্রি টাকা ইনকাম করার জন্যশুরুতেই আপনাকে আপনার নিজের লক্ষ্য ও
উদ্দেশ্য ঠিক করতে হবে। সাধারণ কাজের জন্য কতটুকু সময় ব্যয় করতে
পারবেন সেটা আগে নির্ধারণ করুন। যেমন ধরুন আপনি ফুলটাইম কাজ করবেন না
পার্ট টাইম কাজ করবেন। এরপর আপনি কোন বিষয়ের উপরে ফ্রি টাকা ইনকাম করা
যায় সেই বিষয়টি বাছাই করতে হবে।
আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রি টাকা ইনকামের জন্য নির্ভরযোগ্য মাধ্যম
ফ্রি টাকা ইনকাম করার নিয়ম
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা বর্তমানে অনেকেই জানতে ইচ্ছুক
। বর্তমানে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা খুব বেশি কঠিন কিছু না । আপনার
ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কোন প্রকার ইনভেস্ট ছাড়াই আপনি ফ্রিতে টাকা
ইনকাম করতে পারেন । চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন নিয়মে কিভাবে
ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা যায়। ফ্রিতে টাকা ইনকাম করার নিয়ম হচ্ছে আপনি কোন
নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লক্ষ্য স্থির করে সঠিক নিয়মে কাজ করাকে বোঝায় । যেমন
ধরুন ফ্রিল্যান্সিং করা ব্লগিং করা, আরো অনেক বিষয় আছে যা আমরা এই পোষ্টের
মাধ্যমে জানতে পারবো।
ফ্রি টাকা ইনকাম করতে কি প্রয়োজন হয়
ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে মূলত দরকার হয় আপনার দক্ষতা, সময় এবং সঠিক ইন্টারনেট
সংযোগ, কম্পিউটার অথবা মোবাইল । কারণ আপনার দক্ষতা বা স্কিলই পারে আপনাকে
সঠিকভাবে টাকা ইনকাম করার উপায় দেখাতে, এছাড়াও আপনার ইন্টারনেট গতির উপরে
অনেকটা নির্ভর করে আপনি কিভাবে অল্প সময়ে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করবেন। তাই
ইনকামকে বৃদ্ধি করতে বা গতিশীল করতে মূলত প্রথম প্রয়োজন হচ্ছে আপনার কম্পিউটার
বা মোবাইল আপনার সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়ার জন্য আমাদের সঙ্গেই
থাকুন।
ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায়
আমরা অনেকেই ফ্রিতে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে জানতে চাই, আমাদের ডিজিটাল
বাংলাদেশ ফ্রি তে টাকা ইনকাম করার অনেক উপায় রয়েছে, যেমন ফ্রিল্যান্সিং
গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্লগিং ইউটিউব চ্যানেল তৈরি অনলাইনে সার্ভেতে অংশ নেওয়া
সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, এ আপনার দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী আপনি কোন
প্রকার ইনভেস্ট না করেই ফ্রিতে টাকা ইনকাম করার উপায় জানতে পারবেন।
আরো পড়ুন: ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড ফিরে পাওয়ার উপায়
কন্টেন্ট রাইটিং করে ফ্রি ইনকাম
কিভাবে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা যায় এর অন্যতম বা উল্লেখযোগ্য একটি মাধ্যম হলো
কনটেন্ট রাইটিং। আপনার লিখার দক্ষতার উপর নির্ভর করে আপনি কন্টেন রাইটিং
লিখে মাসে কত টাকা ইনকাম করবেন সুতরাং দক্ষতা ও স্কিল বিল্ডাপ এর মাধ্যমে আপনি
কন্টেন রাইটিং করে মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন। এখন কিভাবে কনটেন্ট
রাইটিং করে ফ্রিতে ইনকাম করতে পারব সেই বিষয়টি আমরা জানব, যেমন নিজের
একটি ব্লগ তৈরি করে সেখানে নিয়মিত মানসম্মত লেখার মাধ্যমে কনটেন্ট
প্রকাশ করলে কিংবা এফিলিয়েট মার্কেটিং বা স্পন্সরশিপের মাধ্যমে
প্যাসিভ ইনকাম করা সম্ভব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সবচেয়ে আলোচিত প্লাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক যার মাধ্যমে
ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা সম্ভব ।ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম হয় মূলত আকর্ষণীয়
কন্টেন্ট থেকে, বিজ্ঞাপন তৈরি করে, এছাড়াও মার্কেটপ্লেসের পণ্য বিক্রি
করে যেখানে ফলোয়ারদের আকৃষ্ট করে ফেসবুক থেকে ফ্রি ইনকাম করা সম্ভব এছাড়াও
বেশি বেশি ভিডিও বা রিলস তৈরি করে তাতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করা যায়।
যেখানে ফলোয়ারদের আকৃষ্ট করে ফেসবুক থেকে ফ্রি ইনকাম করা যায়। ফেসবুক থেকে
ফ্রিতে ইনকাম করার সহজ উপায় আরও জানতে পারবেন আমাদের এই
পোষ্টের মাধ্যমে।
এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ফ্রি ইনকাম করার নিয়ম
আপনি কি এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ফ্রিতে ইনকাম করার নিয়ম জানতে চাচ্ছেন
তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে বিনামূল্যে আয় করতে
একটি পছন্দের বিষয় বেছে নিন, একটি ব্লগ বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
তৈরি করুন প্রাসঙ্গিক পণ্যের এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করুন এবং কোন প্রকার খরচ
ছাড়াই ইনকাম শুরু করুন। আমরা আগেই বলেছি যে আপনার নির্বাচিত বিষয়ের উপরে
তথ্যপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় পোস্ট বা ভিডিও তৈরি করুন এছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে
এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ফ্রি ইনকাম করার নিয়ম আপনি আমাদের এই পোষ্টের
মাধ্যমে জানতে পারবেন।
আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং করে লাখ টাকা ইনকাম
ব্লগিং করে ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায়
এক দশক আগে পর্যন্ত ও নিজের লেখা গল্প কবিতা প্রবন্ধ মানুষের কাছে পৌঁছে
দেওয়া ছিল বেশ কঠিন ব্যাপার। তবে এই প্রেক্ষাপটটা খুব দ্রুতই বদলে গেছে, কারণ
আমরা বর্তমানে ডিজিটাল যুগে পদার্পণ করেছি যেখানে ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট
সেবা আর যার হাত ধরেই এসেছে ব্লগিং। নিজের মতামত লেখা ছবি, সবকিছুই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম
হচ্ছে এই ব্লগিং। আমাদের দেশে অনেক ব্লগার রয়েছে যারা ব্লগিংয়ের মাধ্যমে মাসে
লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন। আর এর উপায় আমাদের হাতের কাছেই, কয়েকটি সহজ
পদ্ধতির মাধ্যমেই আপনার এই ব্লগটি হবে একমাত্র উপায় এর মাধ্যম। সুতরাং ব্লগিং
করে ফ্রি টাকা ইনকাম করার বিজ্ঞাপন তৈরি করে তা প্রকাশ করা কারণ সারা পৃথিবীতেই
ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে তা থেকে টাকা ইনকাম করা একটি প্রধান উপায়। আমাদের
বাংলাদেশেও এটা সমানভাবে জনপ্রিয় একটি প্লাটফর্ম। আপনার ব্লগে কোন জায়গায়
বিজ্ঞাপন দিলে সবথেকে বেশি পাঠকের চোখে পড়বে ও তারা তা ক্লিক করতে উৎসাহিত হবে
সেটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন ঠিক করুন বিজ্ঞাপনের ধরন ও যেমন কোন ব্লগে
ছবিসহ বিজ্ঞাপনে বেশি ক্লিক হয় আবার অন্য কোন বিজ্ঞাপনে লেখা পাঠক
বেশি। প্রচারের মাধ্যমেই একমাত্র সম্ভাব্য পাঠকের কাছে পৌঁছা সম্ভব। তাই
ব্লগের প্রচার করুন যেকোনো একটি উপায় বেছে নিন আর ব্লক থেকে আয় করুন।
ইউটিউব থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম করুন
সারা বিশ্বজুড়ে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ইউটিউব একটি বহুল ব্যবহৃত
একটি মাধ্যম। এর জনপ্রিয়তা অন্যান্য উন্নত দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও দিনকে দিন
বেড়েই চলেছে। বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে এটি একটি অন্যতম পন্থা হিসেবে সবার কাছেই
জনপ্রিয়। ইউটিউব যেমন আমাদের নিয়মিত বিনোদন দিয়ে আসছে ঠিক তেমনি কিছু মানুষের
জীবিকার মাধ্যমে হিসেবে কাজ করছে। আপনার মাথায় যদি এমন কোন কনটেন্ট থাকে যা আপনি
মনে করছেন যা আপনি মনে করছেন মানুষের কাছে শেয়ার করলে খুব ভালো সাড়া পাওয়া
যাবে চাইলে আপনিও ইউটিউবে শুরু করতে পারেন। বাংলাদেশের অনেক মানুষই ইউটিউব এর
মাধ্যমে অনেক টাকা ইনকাম করছে। তাই এই সব জানার পরে অনেক মানুষই এখন ইউটিউবে
একাউন্ট খুলে ভিডিও বানানো শুরু করছে। কিন্তু তারা অনেকেই জানেনা কিভাবে ইউটিউব
এর মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়, এই আর্টিকেলটিতে মূলত আপনারা সেই
বিষয়গুলোর উপরেই জানতে পারবেন। ইউটিউব এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনার
কনটেন্ট ভালো হলে ইনকাম আসবেই তবে তার জন্য আপনাকে মূল কয়েকটি বিষয় জানতে হবে।
যেমন ইউটিউব থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম করার অনেকগুলো মাধ্যম আছে সেগুলো আপনাকে জানতে
হবে। যেমন বিজ্ঞাপন থেকে আয়, অ্যাফিলিয়েট লিংক এর মাধ্যমে ইনকাম, পণ্য বিক্রয়
করে ইনকাম করা, স্পন্সারশিপ এর মাধ্যমে ইনকাম করা।
গ্রাফিক ডিজাইন করে ফ্রি টাকা ইনকাম
গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চাইলে সবার আগে আমাদের জানতে হবে
গ্রাফিক্স ডিজাইন কি, গ্রাফিক্স ডিজাইন বলতে বোঝায় বিভিন্ন ধরণের লোগো, প্যাড,
মেমো, কভার ডিজাইন, ভিজিটিং কার্ড, বিজনেস কার্ড, বিভিন্ন দোকান বা বড় বড়
গামেন্টর্স, ইন্ডাস্ট্রিজ সহ কোম্পানীর ক্ষেত্রে ব্যানার ডিজাইন প্রয়োজন হয় এবং
ছবিতে বিভিন্ন ধরণের এ্যাড প্রদর্শন করার জন্য ডিজাইন করা। এছাড়াও কোন লেখা বা
বিভিন্ন ধরণের ব্যাগরাউন্ড তৈরী করাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলা হয়ে থাকে।বর্তমানে
আমাদের দেশে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশা হিসেবে খুবই জনপ্রিয় হয়েছে । ফলে অনেকের একটা
কমন প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে যে গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা মাসে কত আয় করতে পারেন বা করেন
। আসলে কত আয় হবে তা নির্দিষ্ট নয় এটি আপনার কাজের উপর নির্ভর করে । আপনি ভালো
ভাবে কাজ করতে পারলে সাধারণত ৫০ থেকে ৬০ হাজার আয় করতে পারবেন । আবার এর চেয়ে কমও
হতে পারে বেশিও হতে পারে । তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা কত আয় করে তা নির্দিষ্ট করে
বলা যায় না । গ্রাফিক ডিজাইনের মাধ্যমে কাজ করতে হলে বিভিন্ন ধরনের ভুল ভ্রান্তি
হতেই পারে তাই সর্বদাই আপনাকে আপনার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সর্বদাই শিখতে থাকা
একটা ভাল গুন একজন দক্ষ ডিজাইনার হাওয়ার জন্য। একজন দক্ষ ডিজাইনার সর্বদাই নিজেকে
আপ-টু-ডেট রাখার চেষ্টা করে। কারন সে যদি সর্বদাই আপডেট না থাকে তাহলে সে অনেক
কিছু মিস করে ফেলবে। নতুন নতুন আইডিয়া, টুলস এবং এক্সপার্টদের করা বিভিন্ন কাজ
ইত্যাদি দেখে নোট করে রাখে। আপনিও যদি খেয়াল করেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে কেন
শিখতে থাকাটা জরুরী।
আপনি যখন একজন এক্সপার্ট ডিজাইনার কে দেখতেছেন আর হয়ত মনে মনে চিন্তা করছেন
যে এরা এত এক্সপার্ট হল কি করে ? এর একটি সহজ উত্তর হল তারা সর্বদাই চেষ্টা করেছে
নিজেদেরকে শিখার মাধ্যমে গড়ে তোলার জন্য। আপনি যদি শিখার মধ্যে দিয়ে নিজেকে গড়ে
তুলেন তাহলে আপনার শিখার প্রতি আগ্রহ টিকে থাকবে। কারন আপনি যদি একটা কাজ শিখতে
যান তাহলে আপনাকে কাজটি অবশ্যই করতে হবে আর না করলে শিখতে পারবেন না তাই শিখতে
যেয়ে আপনার কাজের অনুশীলনও হয়ে যাচ্ছে। আর কাজ শিখতে যেয়ে আপনি বিভিন্ন ভুল
করতেছেন আর সেটা শিখার সময়ই শূদ্রে নিতে পারতেছেন তাই সেই ভুলটি আর দ্বিতীয় বার
হচ্ছে না। আর শিখার সময় আপনি আরও একটি কাজ করতে পারেন যেমন আপনি চিন্তা করতে
পারেন যে এখানে তো একভাবে করা হয়েছে তো আমি এটা কে একটু অন্যভাবে করার চেষ্টা করে
দেখি। তাতে কি হবে আপনার কাজের লেভেলএর অনেক উন্নতি হবে আর যখন দুইটা ওয়ে তে
করবেন তখন কোনটা সহজ কোনটা কঠিন সেটা বুঝতে পারবেন আর যে ওয়ে টা আপনার সহজ লাগবে
সেটা আপনি পরবর্তীতে কাজে লাগাতে পারবেন। আর এভাবেই গুনও বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
আরো পড়ুন: ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশনের জন্য যেভাবে আবেদন করতে হয়
ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম করুন
ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার যে কয়টি মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে ডাটা এন্ট্রি
অন্যতম জনপ্রিয়। ডাটা এন্ট্রি করা বেশ সহজ বলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করতে পারবেন
যে কেউ। খুব সামান্য ধারণা নিয়েও ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু করা যায়।ডাটা এন্ট্রি হলো মূলত অনেকটা কপি-পেস্ট এর কাজ। অর্থাৎ ডাটা সংগ্রহ করে তা নির্দিষ্ট
ডাটাবেসে জমা করার কাজকে বলা হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। এই ইন্টারনেটের যুগে সকল ডাটা
বা তথ্যের অনলাইন কপি রাখা একান্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে ডাটা এন্ট্রির
কাজের চাহিদা দিনদিন বেড়েই চলেছে।ঘরে বসেই যেকেউ একটি ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন
কম্পিউটার ব্যবহার করে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করতে পারবে। ডাটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে
টাইপিং স্পিড একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডাটা এন্ট্রির কাজ বিভিন্ন রকমের হয়ে
থাকে, যেমনঃ ক্যাপচা দেখে লিখা, ফরম পূরণ, ডাটা এডিটিং ও ফরম্যাটিং, অনলাইন থেকে
তথ্য সংগ্রহ, অডিও ফাইল শুনে লিখা, ইত্যাদি। ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে টাকা ইনকাম
করার কিছু সহজ কাজ যেমনঃ
ক্যাপচা সমাধান : ক্যাপচা হল ছবি বা পাঠ্য আকারে বর্ননা যা মানুষের দ্বারা পঠন বা বোঝার জন্য সহজ,
কিন্তু মেশিন দ্বারা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। ক্যাপচা সমাধানের কাজ হল ক্যাপচা
চিহ্নগুলি সঠিকভাবে বুঝতে এবং সেগুলির উত্তর দেওয়া। এটি একটি সহজ কাজ যা কোনও
বিশেষ দক্ষতা বা জ্ঞান প্রয়োজন হয় না।
ট্রান্সক্রিপশন : ট্রান্সক্রিপশন হল অডিও বা ভিডিও ফাইলগুলির পাঠ্য রূপান্তর। ট্রান্সক্রিপশনের
কাজ হল অডিও বা ভিডিও ফাইলগুলি শুনতে এবং সেগুলির পাঠ্য লিখতে। এটি একটি সহজ কাজ
যা ভাল শ্রবণ এবং লেখার দক্ষতা প্রয়োজন।
ডেটা সাজানো :
ডেটা সাজানো হল অপ্রয়োজনীয় তথ্য অপসারণ এবং ডেটাকে একটি নির্দিষ্ট বিন্যাস বা
কাঠামোতে সংগঠিত করা। ডেটা সাজানোর কাজ হল ডেটাকে সুগঠিত এবং বোঝার জন্য সহজ করে
তোলা। এটি একটি সহজ কাজ যা ভাল সংগঠন এবং টাইপিং দক্ষতা প্রয়োজন।
এই কাজগুলি মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করে যেকোনো জায়গা থেকে করা যেতে
পারে। এগুলি অনলাইনে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়।
ডাটা এন্ট্রি করে আয় করার জন্য, আপনাকে অবশ্যই একটি ভাল টাইপিং গতি এবং সঠিকতার
প্রয়োজন হবে। আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার প্রোগ্রাম এবং সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে
সক্ষম হতে হবে। আপনি যদি এই দক্ষতাগুলি অর্জন করতে পারেন তবে আপনি ডাটা এন্ট্রি
করে ভাল আয় করতে পারেন।ডাটা এন্ট্রি করে আয় করার সেরা ওয়েবসাইটসমূহ সম্পর্কে
আরো কিছু ধারনা থাকা আমাদের দরকার চলুন জেনে নেই ডাটা এন্ট্রি থেকে আয় করার নতুন
কিছু সফটওয়্যার সম্পর্কে।
রেভ: রেভ (Rev) ডটকম একটি জনপ্রিয় ডাটা এন্ট্রি ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটে
ট্রান্সক্রিপশন ও ক্যাপশনিং এর মতো ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়া যায়। এই ওয়েবসাইটে
কাজ শুরু করার আগে কোয়ালিফাইয়ার টাস্ক সম্পন্ন করতে হবে যেখানে বিভিন্ন ধরনের
অডিও ট্রান্সক্রাইব করতে হয়।অডিও মিনিট এর উপর ভিত্তি করে মেম্বারদের পেমেন্ট
করে থাকে রেভ। প্রতি মিনিট অডিও এর জন্য $0.35 থেকে $0.75 পর্যন্ত প্রদান করে
থাকে রেভ। ৬০মিনিট ট্রান্সক্রিপশন সম্পন্ন হলে পরবর্তী লেভেলে প্রোমোট করে দেওয়া
হয়। আবার এই ওয়েবসাইটে কোনো ধরাবাঁধা শিডিউল নেই, অর্থাৎ যেকোনো সময় কাজ করার
সুযোগ রয়েছে।আপনি যদি একাধিক ভাষা জানেন, সেক্ষেত্রে সাবটাইটেল অনুবাদ করেও আয়
করতে পারেন। পেপাল এর মাধ্যমে সাপ্তাহিক পেমেন্ট করে থাকে রেভ।
আপওয়ার্ক : আপওয়ার্ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন ডাটা এন্ট্রি জব সাইটসমূহের
মধ্যে একটি। প্রায় ৫,৮৩৮টির অধিক ধরনের ডাটা এন্ট্রি জব রয়েছে আপওয়ার্কে।
আপওয়ার্কে জব ব্রাউজ করতে হলে আপওয়ার্ক একাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক, যা
বিনামূল্যে তৈরী করা যাবে। খুব সহজে নাম ও ইমেইল এড্রেস প্রদান করে আপওয়ার্কে
একাউন্ট খোলা যাবে।প্রোফাইল একটিভ হওয়ার পর আপওয়ার্কে থাকা জব ব্রাউজ করা যাবে।
কোনো কাজের জন্য এপ্লাই করার আগে উক্ত কাজ করতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, পারিশ্রমিক,
কাজের ধরন, ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন জব ডেসক্রিপশন সেকশনে।বিশ্বাসযোগ্য
ফ্রিল্যান্সিং সাইটের তালিকায় আপওয়ার্ক একটি। এমনকি মাইক্রোসফট, এয়ারবিএনবি,
ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানও আপওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে। আপওয়ার্ক এর বিশাল কাজের
লাইব্রেরী থেকে নিজের পছন্দের ডাটা এন্ট্রির কাজ খুঁজে নিতে পারবেন যেকেউ।
ফ্রিল্যান্সার : ব্যবসাসমূহ ও ফ্রিল্যান্সারদের এক স্থানে সংযুক্ত করে
ফ্রিল্যান্সার ডট কম। বিশ্বের সেরা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে এটি একটি
যেখানে কিওয়ার্ড ব্যবহার করে অসংখ্য ধরনের ডাটা এন্ট্রি জব খুঁজে পাওয়া যাবে।
এছাড়াও স্কিল, ভাষা, ইত্যাদি ফিল্টার ব্যবহার করে নিজের সুবিধামত কাজ খুঁজে বের
করা যাবে বেশ সহজে।ফ্রিল্যান্সার ডট কম ওয়েবসাইটটিতে ফ্রিল্যান্সারগণ কোনো কাজের
জন্যে বিড করে থাকেন। ফ্রিল্যান্সার এর দক্ষতা ও ভ্যাকেন্সি বিবেচনা করে জব
পোস্টদাতা পছন্দের ফ্রিল্যান্সার বেছে নেন উক্ত কাজের জন্য। ফ্রিল্যান্সার ডট কম
ওয়েবসাইটটিতে যেকেউ ফ্রি একাউন্ট খুলে কাজ শুরু করতে পারে।
ফাইভার : বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম ফাইভার এ অসংখ্য
ক্যাটাগরির ডাটা এন্ট্রি জব পাওয়া যায়। ডাটা-এন্ট্রি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে
ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে ফাইভার একটি সেরা প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।ফাইভার এ কাজ শুরু
করতে প্রথমে একটি সেলার একাউন্ট তৈরী করতে হবে এবং যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা,
ইত্যাদি যুক্ত করতে হবে। কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এসব ডিটেইলস বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
ফাইভারের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সার তাদের সার্ভিস পোস্ট করেন ও কাস্টমার তাদের
পছন্দের ফ্রিল্যান্সার বেছে নেন। তাই ডাটা এন্ট্রি হোক বা অন্য যেকোনো ধরনের কাজ,
ফাইভারে সফলতা অর্জন করতে হলে নিয়মিত প্রোফাইল আপডেট বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
পিপল পার আওয়ার : যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম হলো পিপল পার
আওয়ার। খুব সহজে একটি একাউন্ট খুলে যেকেউ আয় শুরু করতে পারে এই ওয়েবসাইটে।
আপওয়ার্ক বা ফাইভার এর মত ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলোর মত অসংখ্য জব লিস্টেড না
থাকলেও পিপল পার আওয়ার থেকেও ডাটা এন্ট্রি করে আয় সম্ভব। প্রতিযোগিতা কিছুটা কম
থাকায় এই প্ল্যাটফর্মটিতে কাজ পাওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ।
অনলাইন টিউশন করে ফ্রি টাকা ইনকাম
অনলাইনে টিউশন করে টাকা আয় করা এখন খুবই সহজ একটা বিষয় যেখানে আপনি আপনার
পড়ানো বিষয় অনুযায়ী ক্লাস নিয়ে আয় করতে পারেন যেমন facebook বা জুম এর
মাধ্যমে যা আপনাকে ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ করে দেয় এবং এটি একটি স্মার্ট
ক্যারিয়ার যেখানে চাহিদা অনুযায়ী যে কোন বিষয় পড়িয়ে আপনি ভালো আয় করতে
পারেন। অনলাইনে টিউশন করে টাকা ইনকাম করার কিছু ভাব নিম্নে দেওয়া হল
প্রথম ধাপ :প্রথমেই ঠিক করে নিন কতগুলো বিষয় পড়াবেন অথবা আপনি কোন বিষয়ে
পারদর্শী। এরপরই ঠিক করতে হবে অনলাইন টিউশন কতক্ষণ পর্যন্ত করবেন। আপনার কাছে
অবশ্যই ল্যাপটপ বা উন্নত মানের ভাল ক্যামেরা রয়েছে এমন মোবাইল থাকা আবশ্যক।
বাড়িতে যেন নেট কানেকশন অথবা ওয়াইফাই-এর ব্যবস্থা থাকে। টিউশনি যখন পড়াবেন তখন
তার টাকা কীভাবে নেবেন সেটা ঠিক করে নিন। টিউশন প্যাকেজ ও স্লট আগে থেকে ঠিক করে
রাখুন।
দ্বিতীয় ধাপ : অনলাইনে টিউশনি শুরু করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল
অনলাইন মিটিং সফ্টওয়্যার থাকা। এখানে রইল কিছু অনলাইন সফ্টওয়্যার সাইট।
Zoho (Free)
Zoom (Free for 40 Minutes)
Google Meet (Free for one hour)
Skype (Free for one hour)
ফ্রি সেশনের পর আপনি চাইলে কিনতেও পারেন স্লট। সেক্ষেত্রে প্রতি মাসে একটা টাকা
দিতে হবে আপনাকে। এরপর যে সাইটে আপনি টিউশন শুরু করবেন, একবার দেখে নেবেন
সাইটের আওয়াজ ও ভিডিওর গুণগত মান।
তৃতীয় ধাপ : এরপর পরিকল্পনা করে নিন কতক্ষণ পড়াবেন। উদাহরণ স্বরূপ সকাল
৯টা থেকে ১০টা একটা ব্যাচ পড়ালেন আবার বিকেল ৪ থেকে ৫টা দ্বিতীয় ব্যাচ। মাঝে
কোনও একটা ব্যাচ রাখতে পারেন যদি চান। এরমধ্যেই পড়ুয়ারা তাঁদের স্লট বেছে নিতে
পারবেন।
চতুর্থ ধাপ : অনলাইনে ক্লাস করানোর জন্য সব সময় আলো রয়েছে এমন ঘর বেছে নিন। খুব
বেশি পড়ুয়া নিয়ে নয়, বরং ৫-৬ জন করে পড়ুয়া নিয়ে এক-একটি ব্যাচ করান। আপনি আপনার
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাদের শেখার অভিজ্ঞতা বুঝতে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলি
করার জন্য প্রতিক্রিয়াও চাইতে পারেন।
পঞ্চম ধাপ : আপনাকে এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা যদি আপনি আগে টিউশনি করাতেন
সেখানে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। যদি ২ জনও আসে তাদের দিয়েই শুরু করে দিন। ধীরে ধীরে
আপনার এই অনলাইন টিউশন ক্লাসের বিষয়টি এগিয়ে যেতে থাকবে। অনলাইন টিউশন ক্লাস শুরু
করা একটি ফলপ্রসূ অভিজ্ঞতা হতে পারে কারণ এটি একটি কম খরচের উচ্চ-আয়ের ব্যবসা।
যদি শিক্ষকতা আপনাকে আনন্দ দেয় এবং আপনি আপনার ঘরে বসেই কাজ করতে চান, তাহলে এটি
আপনার জন্য একটি দুর্দান্ত ব্যবসায়িক ধারণা।
শেষ কথা কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা বর্তমান সময়ে অনেকেই জানতে ইচ্ছুক। বর্তমান
সময়ে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা কঠিন কিছু নয়। ইচ্ছাশক্তি এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে
কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই টাকা ইনকাম করা সম্ভব।কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
তা জানতে হলে প্রথমে কিছু বিষয় জানা জরুরি। ফ্রিতে টাকা ইনকাম বলতে কোন প্রকার
ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করাকে বোঝানো হয়েছে। যেখানে ইনকাম করার জন্য কোন
প্রকার ইনভেস্টমেন্টের এর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র মেধা, সময় ও কিছু দক্ষতার
মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। এভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব। আর তার
জন্য প্রয়োজন দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি এবং ধৈর্য, নিজের প্রতি বিশ্বাস, আর নিজের কাজ
গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করার মানসিকতা। আর এগুলো থাকলেই সফলভাবে ফ্রিতে টাকা
ইনকাম করা সম্ভব।সাধারণত ইনকাম করতে গেলে আগে আপনাকে কিছু ইনভেস্টমেন্ট করতে হয়।
যেমন ধরেন আপনি কোন ব্যবসা করবেন সে জন্য আপনাকে প্রথমেই কিছু টাকা দিয়ে মালপত্র
কিনতে হবে। একটি দোকান ভাড়া নিতে হবে। এরপর ব্যবসা শুরু করতে হবে। তাহলে আপনার
এখানে ইনকাম করার পূর্বেই কিছু টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। সুতরাং এটিকে ফ্রি বলা যায়
না। এছাড়াও আপনি যদি মনে করেন দিনমজুর হিসেবে কাজ করলে তো কোন ইনভেস্টমেন্ট
প্রয়োজন নেই। আপনার ধারনা সঠিক কিন্তু এখানে অনেক কাইক পরিশ্রম প্রয়োজন। এবং
আপনি প্রতিনিয়ত কাজ নাও পেতে পারেন। সুতরাং সেখানে একটা অনিশ্চয়তা কাজ করে।
সুতরাং কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় এই পোস্টটিতে আপনারা এতক্ষণে পুরোটাই
হয়তো জেনে গেছেন তাই এর সঠিক বাস্তবায়ন প্রয়োগ এবং আপনার শ্রম মেধা ও সঠিক
পরিচর্যার মাধ্যমেই আপনি কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় এই বিষয়টি পুরোপুরি
ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন । তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের পরিধি বাড়ার কারণে
অনলাইনে নতুন নতুন ব্যবসার উদ্ভব হয়েছে যার মাধ্যমে অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য অনেক দক্ষ লোকেরও প্রয়োজন হয়ে পড়ে তাই আপনি
আপনার মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন ইনকামের মাধ্যমে নিজেকে স্বাবলম্বী
করতে পারবেন। আজ বিদায় নিচ্ছি , তবে কথা দিচ্ছি, কথা হবে নতুন কোন বিষয়ে
নতুন কোন আলোচনায় সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
.webp)




good